০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দোহারে ১৩ মামলার প্রতারক সেলিম গ্রেপ্তার

প্রতারণার অভিযোগে, ঢাকার বিভিন্ন থানা, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, বগুড়াসহ বিভিন্ন থানায় সেলিমের নামে ১৩টি মামলা রয়েছে।দীর্ঘসময় পলাতক থাকার পর এসআই সুলতান মাহমুদ ও এসআই জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সেলিমকে।সেলিমের বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বড় বাস্তা গ্রামে। সে ওই গ্রামের রমজান খানের ছেলে।  দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতারণার অভিযোগে দায়েরকৃত দুই মামলায় সাজা ও সাত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল তার বিরুদ্ধে।

দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল আলম জানান, ১৩টি প্রতারণার মামলাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে সেলিমের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুই মামলায় সাজা ও সাত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সেলিম রেজাকে গ্রেপ্তার করে দোহার থানা পুলিশ। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে সেলিমের বিরুদ্ধে। সে একজন আন্তঃজেলা প্রতারক চক্রের সদস্য। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় স্টল নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে সেলিম।

ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত বাণিজ্যমেলায় স্টল দিতে শুরু করেন। মেলাগুলোতে স্টল দিতে গিয়ে বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। সবার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠার কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুকৌশলে সে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক “মহামায়া লেক” ভ্রমন গাইড

দোহারে ১৩ মামলার প্রতারক সেলিম গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৪:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

প্রতারণার অভিযোগে, ঢাকার বিভিন্ন থানা, রাজবাড়ী, মাদারীপুর, রাজশাহী, কুড়িগ্রাম, বগুড়াসহ বিভিন্ন থানায় সেলিমের নামে ১৩টি মামলা রয়েছে।দীর্ঘসময় পলাতক থাকার পর এসআই সুলতান মাহমুদ ও এসআই জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সেলিমকে।সেলিমের বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের বড় বাস্তা গ্রামে। সে ওই গ্রামের রমজান খানের ছেলে।  দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতারণার অভিযোগে দায়েরকৃত দুই মামলায় সাজা ও সাত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল তার বিরুদ্ধে।

দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল আলম জানান, ১৩টি প্রতারণার মামলাসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে সেলিমের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দুই মামলায় সাজা ও সাত মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সেলিম রেজাকে গ্রেপ্তার করে দোহার থানা পুলিশ। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সুকৌশলে লাখ লাখ টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে সেলিমের বিরুদ্ধে। সে একজন আন্তঃজেলা প্রতারক চক্রের সদস্য। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় স্টল নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে সেলিম।

ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত বাণিজ্যমেলায় স্টল দিতে শুরু করেন। মেলাগুলোতে স্টল দিতে গিয়ে বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। সবার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠার কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুকৌশলে সে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।