০৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দুই এমপি, ১  কেন্ত্রীয় নেতার আর্শিবাদ নিয়েও কেন  ,উপজেলা চেয়ারম্যান হতে পারলেন না আব্দুল মাজেদ খান ।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দেশ বরেণ্য কন্ঠশিল্পী, মানিকগঞ্জে-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য , সিংগাইর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব মমতাজ বেগম, সাবেক ফুটবলার , বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্ত্রীয় কমিটির টানা তিনবারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল এবং জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ ও মানিকগঞ্জ- ২ আসনের মাননীয় সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর আর্শিবাদ নিয়ে, সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগের টানা ৩২ বছরের সাবেক সাধারন সম্পাদক, বলধারা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ বারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল মাজেদ খাঁন আনারস প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন। বেশ কয়েকটি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. লুৎফর রহমান। সিংগাইর উপজেলা আওয়ামীলীগ বর্তমানে দু,ভাগে বিভক্ত। যার বেশির ভাগ নেতা কর্মীরা কিন্ত এখন বর্তমান সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর পক্ষে। যেটা এক সময়ে আওয়ামীলীগসহ সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলো সাবেক সাংসদ মমজাজ বেগমের পক্ষে ছিল। গেল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্র্বাচন থেকে পুরোপুরি দু,ভাগে বিভক্ত উপজেলা আওয়ামীলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৫ মাসের পর অনুষ্ঠিত হলে ৬ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপ। সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই নেতাসহ তিন জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করনে। এরা হলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, বলধারা ইউনিয়নের ৭ বারের নির্বাচিত (পদত্যাগকারী) চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল মাজেদ খাঁন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম এবং জার্মিত্তা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাকিম। আব্দুল মাজেদ খান এবং মো. সায়েদুল ইসলাম বর্তমান সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর অত্যন্ত কাছের দুজন নেতা হওয়ায় সাংসদ টুলু কাউকে কোনো সমর্থন না দিয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করলেও , উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ অঙ্গসংগঠনগুলো নেতা কর্মীরা আব্দুল মাজেদ খান এবং সায়েদুল ইসলামের পক্ষে চলে যায়। সেই হিসেবে দুই প্রার্থীর উঠান বৈঠকসহ অন্যানা অনুষ্ঠানে তাদের প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। যেখানে দেখা যায়, মো. সায়েদুল ইসলামের (কাপ-পিরিচ) প্রতিকে উপজেলা ১১ জন( মাজেদ খান বাদে) ১০ জন জনপ্রতিনিধির মধ্যে ৭ জন কাপপিরিচ, ১ ইউপি ও ১জন পৌরমেয়র শুধু মাজেদ খানের আনারস আর বাকী দুজন নিরব ভূমিকা পালন করেছেন। উপজেলা ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতারা প্রকাশ্যে কাপ-পিরিচের  পক্ষে মাঠে নেমে কাজ করেছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের উঠান বৈঠকে দেখা যায়, হাজী আব্দুল মাজেদ খানের আনারস প্রতিকের , উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলী ইস্কাদার আহমেদ, সহ সভাপতি এ্যাড, মোহাম্মদ জাহিদ খান উজ্জল,সহ সভাপতি ডা, রিয়াজুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মমতাজ বেগম ও এ্যাড, লুদফর রহমান ছিলেন কেন্ত্রীয় কমিটির সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলের পক্ষে কাজ করেছেন। পাশাপাশি দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর পক্ষে কাজ উপজলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও তালেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রমজান আলী,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও জয়মন্টপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইজ্ঞিঃ মো. শাহাদৎ হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ধল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ভূইয়াসহ আরো অনেক নেতা। সিংগাইর উপজেলায় যেহেতু বতর্মান সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর নেতৃত্বে সবই হচ্ছে । সেই কারণে সাবেক সাংসদ ও কেন্ত্রীয় সাবেক নেতার আর্শিবাদ সরাসরি মাজেদ খানের পক্ষে থাকলেও বর্তমান সাংসদের আর্শিবাদ আসলে কারো পক্ষেই ছিল না। কিন্তা তারা এই নেতার আর্শিবাদ নিয়ে আনারস প্রতিকের পক্ষে নামলেও জনগণ তাদের কথার কোনো দাম দেয়নি। আর সেই কারণে বর্ষিয়ান নেতা জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি একজন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতার কাছে প্রায়১১ হাজার কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পারফেক্ট ফুটওয়্যার লিমিটেডের বার্ষিক ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দুই এমপি, ১  কেন্ত্রীয় নেতার আর্শিবাদ নিয়েও কেন  ,উপজেলা চেয়ারম্যান হতে পারলেন না আব্দুল মাজেদ খান ।

প্রকাশ: ০১:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দেশ বরেণ্য কন্ঠশিল্পী, মানিকগঞ্জে-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য , সিংগাইর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব মমতাজ বেগম, সাবেক ফুটবলার , বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্ত্রীয় কমিটির টানা তিনবারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল এবং জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ ও মানিকগঞ্জ- ২ আসনের মাননীয় সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর আর্শিবাদ নিয়ে, সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগের টানা ৩২ বছরের সাবেক সাধারন সম্পাদক, বলধারা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ বারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল মাজেদ খাঁন আনারস প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন। বেশ কয়েকটি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. লুৎফর রহমান। সিংগাইর উপজেলা আওয়ামীলীগ বর্তমানে দু,ভাগে বিভক্ত। যার বেশির ভাগ নেতা কর্মীরা কিন্ত এখন বর্তমান সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর পক্ষে। যেটা এক সময়ে আওয়ামীলীগসহ সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনগুলো সাবেক সাংসদ মমজাজ বেগমের পক্ষে ছিল। গেল দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্র্বাচন থেকে পুরোপুরি দু,ভাগে বিভক্ত উপজেলা আওয়ামীলীগসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৫ মাসের পর অনুষ্ঠিত হলে ৬ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপ। সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগের দুই নেতাসহ তিন জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করনে। এরা হলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক, বলধারা ইউনিয়নের ৭ বারের নির্বাচিত (পদত্যাগকারী) চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল মাজেদ খাঁন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম এবং জার্মিত্তা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হাকিম। আব্দুল মাজেদ খান এবং মো. সায়েদুল ইসলাম বর্তমান সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর অত্যন্ত কাছের দুজন নেতা হওয়ায় সাংসদ টুলু কাউকে কোনো সমর্থন না দিয়ে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করলেও , উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ অঙ্গসংগঠনগুলো নেতা কর্মীরা আব্দুল মাজেদ খান এবং সায়েদুল ইসলামের পক্ষে চলে যায়। সেই হিসেবে দুই প্রার্থীর উঠান বৈঠকসহ অন্যানা অনুষ্ঠানে তাদের প্রকাশ্যে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। যেখানে দেখা যায়, মো. সায়েদুল ইসলামের (কাপ-পিরিচ) প্রতিকে উপজেলা ১১ জন( মাজেদ খান বাদে) ১০ জন জনপ্রতিনিধির মধ্যে ৭ জন কাপপিরিচ, ১ ইউপি ও ১জন পৌরমেয়র শুধু মাজেদ খানের আনারস আর বাকী দুজন নিরব ভূমিকা পালন করেছেন। উপজেলা ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ নেতারা প্রকাশ্যে কাপ-পিরিচের  পক্ষে মাঠে নেমে কাজ করেছেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের উঠান বৈঠকে দেখা যায়, হাজী আব্দুল মাজেদ খানের আনারস প্রতিকের , উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আলী ইস্কাদার আহমেদ, সহ সভাপতি এ্যাড, মোহাম্মদ জাহিদ খান উজ্জল,সহ সভাপতি ডা, রিয়াজুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মমতাজ বেগম ও এ্যাড, লুদফর রহমান ছিলেন কেন্ত্রীয় কমিটির সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলের পক্ষে কাজ করেছেন। পাশাপাশি দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর পক্ষে কাজ উপজলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি ও তালেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.রমজান আলী,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও জয়মন্টপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইজ্ঞিঃ মো. শাহাদৎ হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ধল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ভূইয়াসহ আরো অনেক নেতা। সিংগাইর উপজেলায় যেহেতু বতর্মান সাংসদ দেওয়ান জাহিদ আহমেদ টুলুর নেতৃত্বে সবই হচ্ছে । সেই কারণে সাবেক সাংসদ ও কেন্ত্রীয় সাবেক নেতার আর্শিবাদ সরাসরি মাজেদ খানের পক্ষে থাকলেও বর্তমান সাংসদের আর্শিবাদ আসলে কারো পক্ষেই ছিল না। কিন্তা তারা এই নেতার আর্শিবাদ নিয়ে আনারস প্রতিকের পক্ষে নামলেও জনগণ তাদের কথার কোনো দাম দেয়নি। আর সেই কারণে বর্ষিয়ান নেতা জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি একজন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতার কাছে প্রায়১১ হাজার কম ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।