০৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঘিওরে জামানত হারিয়েছেন বিএনপি‘র দুই নেতা

৬ ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে  দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে   নির্বাচনে অংশ নেয়া দুই প্রার্থী  নির্বাচনে পরাজিত হয়ে জামানত হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩২১টি।

নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পেলে জামানত হারাতে হয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে।

ঘিওরে মঙ্গলবার ভোট পড়ে ৬৪ হাজার ৫২৭টি। এর মধ্যে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার লিয়াকত হোসেন পেয়েছেন মাত্র ৩২১ ভোট। তিনি ভোটের লড়াইয়ে নামায় জেলা বিএনপির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কৃত হন।

অপর বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৩ হাজার ৭১৩ ভোট। তিনি জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ভোটে নেমে দল থেকে বহিষ্কার হন তিনিও।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও তারা বর্জন করেছেন। বিষয়টি উপেক্ষা করে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন ওই দুই নেতা। এ জন্যই বহিষ্কার করা হয় তাদের।

ঘিওর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেন ৯ প্রার্থী। তাদের মধ্যে শালিক প্রতীকে ২১ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন মাহবুবুর রহমান জনি। তিনি জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক “মহামায়া লেক” ভ্রমন গাইড

ঘিওরে জামানত হারিয়েছেন বিএনপি‘র দুই নেতা

প্রকাশ: ০৪:৪১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

৬ ষ্ঠ উপজেলা পরিষদের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে  দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে   নির্বাচনে অংশ নেয়া দুই প্রার্থী  নির্বাচনে পরাজিত হয়ে জামানত হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩২১টি।

নির্বাচনী বিধান অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংশ না পেলে জামানত হারাতে হয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে।

ঘিওরে মঙ্গলবার ভোট পড়ে ৬৪ হাজার ৫২৭টি। এর মধ্যে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার লিয়াকত হোসেন পেয়েছেন মাত্র ৩২১ ভোট। তিনি ভোটের লড়াইয়ে নামায় জেলা বিএনপির সদস্য পদ থেকে বহিষ্কৃত হন।

অপর বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৩ হাজার ৭১৩ ভোট। তিনি জেলা বিএনপির মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ভোটে নেমে দল থেকে বহিষ্কার হন তিনিও।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও তারা বর্জন করেছেন। বিষয়টি উপেক্ষা করে ঘিওর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন ওই দুই নেতা। এ জন্যই বহিষ্কার করা হয় তাদের।

ঘিওর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেন ৯ প্রার্থী। তাদের মধ্যে শালিক প্রতীকে ২১ হাজার ৮০৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন মাহবুবুর রহমান জনি। তিনি জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক।