০৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেনের অনিয়ম, ঘুষের রামরাজত্ব কায়েম,

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর সবচেয়ে লোভনীয় অফিস ‘খিলগাঁও‘ সাব রেজিস্ট্র অফিস।  এই অফিসটি এখন অনিয়ম ও  ঘুষের স্বর্গরাজ্য বলে মন্তব্য করছেন দলিল করতে আসা  দাতা -গ্রহিতা- গণ। আর  ঘুষের রামরাজত্ব কায়েম  করছেন সদ্য যোগদান করা সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন। খিলগাঁও  সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেনে যোগদানের পর  থেকেই সকল নিয়মনীতি ভেঙ্গে  অফিসটিকে অনিয়মের আখড়া ও   ঘুষের রাজত্ব কায়েম   শুরু করেছেন।

সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন সরকারি সকল নিয়ননীতি উপেক্ষা করে দাপটে ঘুষ গ্রহণ , অনিয়ম, অসৎআচারণ,দলিল লেখক, ক্রেতাদের সাথে ঘুষের লেনদেন করে  ঘুষ বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। তার এমন আচরণে দলিল করতে আসা  ব্যক্তিরা বলেছেন উনি কি সরকারি বেতনে  চাকুরি করেন ? নাকি ঘুষের হাট বসিয়েছেন এখানে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সাব  রেজিস্ট্রার এজলাসে বসে দলিল সম্পাদন  করার নিয়ম থাকলে সাব   রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন কিছু সময়ের জন্য এজলাসে বসলেও তিনি দলিল সম্পাদন করেন তার এসি লাগানো খাস কামরায়। সেখানে বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করেন এবং দলিলের বিভিন্ন ভুলক্রুটি ধরে  জমির ক্রেতাদের কে ডেকে নিয়ে নিজেই ঘুষের দরদাম করে জমি  রেজিস্ট্রি করে থাকেন।   তার এমন ঘুষ বাণিজ্য নিজ চোখে দেখে  হতভাগ হয়ে পড়েছেন সাধারন মানুষ।  জমির সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও তিনি প্রত্যেক দলিল থেকে  হাজার  থেকে শুরু করে  লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকেন। আর কাগজপত্রে যদি কোনো  বড় ধরনের ভুলক্রুটি থাকে তাহলে সে নিজেই ইচ্ছেমাফিক ঘুষ আদায় করে থাকেন। বর্তমান খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিদিন ৫০-৬০ টি দলিল সম্পাদিত হয়ে থাকে এর মধ্যে ৫-৭টি দলিল কমিশনে হয়ে থাকে। কমিশন দলিলের নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে উল্লেখিত ঠিকানায় একজন সাব রেজিস্ট্রার নিজে গিয়ে সেই কমিশন দলিল সম্পাদন করবেন তবে অবশ্য সেই দাতাকে অসুস্থ্য এবং পরদাশালী নারীহতে হবে। বর্তমান খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন তার কাছে আসা প্রত্যেক কমিশন দলিল সে নিজে যাছাই করেন। যেগুলো অসুস্থ্য এবং পরদাশালী নারীদের ক্ষেত্রে নিয়মভর্হিভূতভাবে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কমিশন দিয়ে থাকে । আর যাদের কমিশনে দলিল করার ক্যাটাগরিতে পড়েন না, তাদের অনেক মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে কমিশন করাতে হয়। সেই হিসেবে প্রতিদিন তিনি  প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। কিন্ত তার এই ঘুষের বিষয়টি অনেকে জানলেও তার দাপটের সামনে কেউ কথা বলতে পারে না।  তাই সচেতন মহল  বলছে  সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন যোগদানের পর ঠান্ঠা মাথায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন  এই সব যাদের দেখার কথা তারা দেখেও না দেখার ভাব  নিয়ে চোখ বন্ধ করে অফিস করে যাচ্ছেন। তাই দুর্নীতি দমন (দুদক) কি সরেজমিনে গিয়ে এসব অনিয়ম, দুর্নীতি দেখবে ?। সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন  এ বছর ফেব্রুয়ারী মাসের ১২   তারিখে ঢাকার খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্র অফিসে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্তরত থাকাকালীন সময়ে সেই অফিসে ও ব্যাপক, ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, দলিল   লেখক, নকলনবীশদের সাথে খারাপ আচরণসহ  ঘুষ, বাণিজ্যর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।  সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক পত্র-পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচারিত হয়। এসব বিষয়ে তার মোবাইলে কথা বলতে চাইরে তিনি বলেন,

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

পারফেক্ট ফুটওয়্যার লিমিটেডের বার্ষিক ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেনের অনিয়ম, ঘুষের রামরাজত্ব কায়েম,

প্রকাশ: ০২:৩২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর সবচেয়ে লোভনীয় অফিস ‘খিলগাঁও‘ সাব রেজিস্ট্র অফিস।  এই অফিসটি এখন অনিয়ম ও  ঘুষের স্বর্গরাজ্য বলে মন্তব্য করছেন দলিল করতে আসা  দাতা -গ্রহিতা- গণ। আর  ঘুষের রামরাজত্ব কায়েম  করছেন সদ্য যোগদান করা সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন। খিলগাঁও  সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেনে যোগদানের পর  থেকেই সকল নিয়মনীতি ভেঙ্গে  অফিসটিকে অনিয়মের আখড়া ও   ঘুষের রাজত্ব কায়েম   শুরু করেছেন।

সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন সরকারি সকল নিয়ননীতি উপেক্ষা করে দাপটে ঘুষ গ্রহণ , অনিয়ম, অসৎআচারণ,দলিল লেখক, ক্রেতাদের সাথে ঘুষের লেনদেন করে  ঘুষ বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। তার এমন আচরণে দলিল করতে আসা  ব্যক্তিরা বলেছেন উনি কি সরকারি বেতনে  চাকুরি করেন ? নাকি ঘুষের হাট বসিয়েছেন এখানে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সাব  রেজিস্ট্রার এজলাসে বসে দলিল সম্পাদন  করার নিয়ম থাকলে সাব   রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন কিছু সময়ের জন্য এজলাসে বসলেও তিনি দলিল সম্পাদন করেন তার এসি লাগানো খাস কামরায়। সেখানে বসে দলিল রেজিস্ট্রেশন করেন এবং দলিলের বিভিন্ন ভুলক্রুটি ধরে  জমির ক্রেতাদের কে ডেকে নিয়ে নিজেই ঘুষের দরদাম করে জমি  রেজিস্ট্রি করে থাকেন।   তার এমন ঘুষ বাণিজ্য নিজ চোখে দেখে  হতভাগ হয়ে পড়েছেন সাধারন মানুষ।  জমির সকল কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও তিনি প্রত্যেক দলিল থেকে  হাজার  থেকে শুরু করে  লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়ে থাকেন। আর কাগজপত্রে যদি কোনো  বড় ধরনের ভুলক্রুটি থাকে তাহলে সে নিজেই ইচ্ছেমাফিক ঘুষ আদায় করে থাকেন। বর্তমান খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিদিন ৫০-৬০ টি দলিল সম্পাদিত হয়ে থাকে এর মধ্যে ৫-৭টি দলিল কমিশনে হয়ে থাকে। কমিশন দলিলের নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে উল্লেখিত ঠিকানায় একজন সাব রেজিস্ট্রার নিজে গিয়ে সেই কমিশন দলিল সম্পাদন করবেন তবে অবশ্য সেই দাতাকে অসুস্থ্য এবং পরদাশালী নারীহতে হবে। বর্তমান খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন তার কাছে আসা প্রত্যেক কমিশন দলিল সে নিজে যাছাই করেন। যেগুলো অসুস্থ্য এবং পরদাশালী নারীদের ক্ষেত্রে নিয়মভর্হিভূতভাবে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কমিশন দিয়ে থাকে । আর যাদের কমিশনে দলিল করার ক্যাটাগরিতে পড়েন না, তাদের অনেক মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে কমিশন করাতে হয়। সেই হিসেবে প্রতিদিন তিনি  প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে যাচ্ছেন। কিন্ত তার এই ঘুষের বিষয়টি অনেকে জানলেও তার দাপটের সামনে কেউ কথা বলতে পারে না।  তাই সচেতন মহল  বলছে  সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন যোগদানের পর ঠান্ঠা মাথায় প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন  এই সব যাদের দেখার কথা তারা দেখেও না দেখার ভাব  নিয়ে চোখ বন্ধ করে অফিস করে যাচ্ছেন। তাই দুর্নীতি দমন (দুদক) কি সরেজমিনে গিয়ে এসব অনিয়ম, দুর্নীতি দেখবে ?। সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেন  এ বছর ফেব্রুয়ারী মাসের ১২   তারিখে ঢাকার খিলগাঁও সাব রেজিস্ট্র অফিসে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্তরত থাকাকালীন সময়ে সেই অফিসে ও ব্যাপক, ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, দলিল   লেখক, নকলনবীশদের সাথে খারাপ আচরণসহ  ঘুষ, বাণিজ্যর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।  সাব রেজিস্ট্রার মো. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক পত্র-পত্রিকা এবং অনলাইন পোর্টালে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচারিত হয়। এসব বিষয়ে তার মোবাইলে কথা বলতে চাইরে তিনি বলেন,